শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ বিকাশে বিভিন্ন ধরনের সহ-শিক্ষাক্রমিক কার্যাবলীর ভূমিকা
শিক্ষার্থীদের পরিপূর্ণ বিকাশে বিভিন্ন ধরনের
সহ-শিক্ষাক্রমিক কার্যাবলীর ভূমিকা
শিক্ষাই
জাতির মেরুদন্ড। একটি উন্নত জাতি গড়তে হলে অবশ্যই জাতির নাগরিকদের শিক্ষিত হতে
হবে। আর এই শিক্ষার সূচনা হয় প্রাথমিক শিক্ষা থেকে। তবে প্রাথমিক শিক্ষা শুধু
বইয়ের মাঝে সীমাবদ্ধ নয় অর্থাৎ শিশুদেরকে পুঁথিগত বিদ্যা লাভ করালেই প্রাথমিক
শিক্ষার লক্ষ্য অর্জন সম্পন্ন হয় না। বরং তাদের মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে হবে।
তাদের সুপ্ত প্রতিভাগুলো বিকশিত করা প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্যের অন্যতম বিষয়।
প্রাথমিক শিক্ষায় শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষাক্রমিক কার্যাবলী রয়েছে।
যেমন,
গান, নাচ, আবৃত্তি, অভিনয়, চিত্রাঙ্কন, গল্প বলা, কাবিং, খেলাধুলা প্রভৃতি।
একটি নির্দিষ্ট সময়ে ক্লাস রুটিনে এই বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সপ্তাহের একটি দিনে শিশুদেরকে এই কার্যক্রম গুলো নিয়মিত অনুশীলন করানো হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ কার্যক্রম গুলো সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শিক্ষকরা যে যে বিষয়ে পারদর্শী সে বিষয়টি শিক্ষার্থীদের শেখানোর জন্য চেষ্টা করে থাকেন। এছাড়া শিশুদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। যেমন, আন্তঃ প্রাথমিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতা প্রভৃতি।
বিদ্যালয়ের শিশুরা এসব বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকে এবং
তাদের প্রতিভা বিকাশের দ্বার উন্মোচিত হয়। তাই পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি
সহশিক্ষাক্রমিক কার্যাবলী শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে এবং প্রতিভা বিকাশে
গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মতামত দিন