কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research) প্রতিবেদন লেখার নিয়ম
প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ |
Primary Teachers Training
কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research) প্রতিবেদন লেখার নিয়ম
প্রতিবেদন লিখনের
কতগুলো স্বীকৃত কাঠামো আছে। এ্যাকশন রিসার্চে প্রতিবেদন তৈরির ধাপ প্রধানত তিনটি।
যথা:
১. প্রারম্ভিক/প্রাথমিক
অংশ
২. প্রতিবেদনের/গবেষণার
মূল অংশ
৩. প্রাসংগিক
তথ্যাবলি অংশ।
কর্মসহায়ক গবেষণা প্রতিবেদনে যে বিষয়গুলো থাকতে পারে তা নিম্নরূপ:
১. গবেষণা
শিরোনাম/সমস্যার বিবরণ
২. উদ্দেশ্য
৩. অনুমিত
সিদ্ধান্ত
৪. সীমাবদ্ধতা
৫. গবেষণা কাঠামোর উপযুক্ততা
৬. সমগ্র ও ভৌগোলিক অঞ্চলের বর্ণনা
৭. ত্রুটি নিয়ন্ত্রণের কৌশল ও উপকরণ
৮. নির্ভরযোগ্যতা ও যথার্থতা
সম্পর্কিত বিবৃতি।
প্রতিবেদন তৈরী গবেষণার সর্বশেষে পর্যায়। প্রতিবেদনের মাধ্যমে গবেষণার রিসার্চের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন হয়ে থাকে। এ্যাকশন রিসার্চের প্রতিবেদন লেখার জন্য সর্বসম্মত পদ্ধতি রয়েছে। যে প্রতিষ্ঠানের আওতায় কর্মসহায়ক গবেষণা পরিচালনা হবে সে প্রতিষ্ঠান যে নিয়মাবলি অনুসরণ করে তা গবেষকদের প্রদান করে থাকে।
গবেষণার রিপোর্ট তৈরি করার সময় প্রচলিত সাধারণ নিয়মের সাথে উক্ত প্রতিষ্ঠানের চাহিদা বিবেচনা করে রিপোর্ট প্রণয়ন করতে হয়। রিপোর্ট প্রণয়ন কর্মসহায়ক গবেষণার চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ। রিপোর্টের মাধ্যমে গবেষণার পূর্ণাঙ্গ চিত্র উপস্থাপন করা হয়। কর্মসহায়ক গবেষণার অন্যান্য পর্যায়ের মতো প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্যও সঠিক পরিকল্পনা প্রয়োজন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী চূড়ান্ত প্রতিবেদন
প্রণয়ন করতে হবে, যাতে তা পাঠক সমাদৃত হয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদন হবে প্রাঞ্জল
ভাষায়, সহজবোধ্য এবং যথাসম্ভব সংক্ষিপ্ত। পুনরাবৃত্তি পরিহার করে
প্রচলিত রীতি অনুসরণ করে রিপোর্ট প্রণয়ন করলে তা হবে সকলের নিকট গ্রহণযোগ্য।
কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research) প্রতিবেদন তৈরির ধাপসমূহ:
১. ভূমিকা :
২. গবেষণার উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতা :
৩. সমস্যার বিবরণ :
৪. গবেষণা পরিকল্পনার জন্য দল গঠন
৫. সমস্যার কারণ :
৬. সমস্যার অনুমিত সমাধান ও সমাধান করার উপায়
(উপকরণসহ কার্যক্রম):
৭. সমাধান বাস্তবায়ন পরিকল্পনা :
৮. সমাধান কীভাবে করা হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণের
(রিফ্লেকটিভ জার্নাল অনুসারে) ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও তার ফলাফল উল্লেখ করতে হবে।
৯. গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল বর্ণনা। ফলাফল বর্ণনায়
বেসলাইন মূল্যায়ন তথ্যের সাথে তুলনা থাকতে হবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
১০. উপসংহার।
কর্মসহায়ক গবেষণা (Action Research) প্রতিবেদন তৈরির ধাপসমূহঃ
১. ভূমিকা :
২. গবেষণার উদ্দেশ্য ও যৌক্তিকতা :
৩. সমস্যার বিবরণ :
৪. গবেষণা পরিকল্পনার জন্য দল গঠন
৫. সমস্যার কারণ :
৬. সমস্যার অনুমিত সমাধান ও সমাধান করার উপায় (উপকরণসহ কার্যক্রম):
৭. সমাধান বাস্তবায়ন পরিকল্পনা :
৮. সমাধান কীভাবে করা হয়েছে তার সংক্ষিপ্ত বিবরণের (রিফ্লেকটিভ জার্নাল অনুসারে) ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও তার ফলাফল উল্লেখ করতে হবে।
৯. গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল বর্ণনা। ফলাফল বর্ণনায় বেসলাইন মূল্যায়ন তথ্যের সাথে তুলনা থাকতে হবে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
১০. উপসংহার।
আরও পোস্ট দেখুনঃ
পাঠ সমীক্ষা কী? পাঠ সমীক্ষার উদ্দেশ্য ও নির্দেশনা
মতামত দিন